করোনাভাইরাসের প্রকোপে সারা দেশে লকডাউন।গৃহবন্দি মানুষ।বন্ধ সিনেমাহল।এমন পরিস্থিতিতে ইতিমধ্যে পিছিয়ে গেছে বেশ কিছু সিনেমার রিলিজ। অতএব কোভিড১৯-এর করাল ছায়া বিনোদনের পথে। তাই মন খারাপ বিনোদনপ্রেমীদের।এমন পরিস্থিতিতে এক অভিনব উপায় এবার বিনোদনের আনন্দ নিয়ে হাজির উইন্ডোজের 'লকডাউন শর্টস'। আগেই নববর্ষের দিনে নিজেদের অফিসিয়াল পেজে এই স্পেশাল শর্ট ফিল্মের সিরিজের কথা জানিয়েছে উইন্ডোজ। বৃহস্পতিবার হলো সেই সিরিজের প্রথন শর্ট ফিল্ম,যার নাম 'হিং। 'প্রাক্তন'-এর পর 'হিং' ফোড়নের মাধ্যমে আবারো দর্শকদের সামনে মানালি মনীষা দে এবং অপরাজিতা আঢ্যর কেমেস্ট্রি।লকডাউনের আবহে গৃহবন্দি স্মার্ট চাকুরিজীবী বোন। অতএব আদ্যপান্ত হাউজ ওয়াইফ দিদির ফোনের নির্দেশে চলছে রান্নার হাতেঘড়ি। চলছে বিউলি ডালের রেসেপি। কিন্তু সামান্য হিং ফোড়নের তারতম্যে স্বাদের বাহারে ফেল পড়াশোনা একইসঙ্গে নাচে নিপুনা বোন। সমাজে তাঁর তথাগতিত হাই প্রোফাইল থাকলেও গৃহবধূ দিদির রান্নার পরিসরে সে পরাজিত।আজও সমাজে গৃহবধূ মানে সংসারের পরাক্রমা নয় বরঞ্চ এক অচলা বধূ। আসলে এ সমস্যা বহু প্রাচীন। সংসার নামক যুদ্ধে সে অপরাজেয় সৈনিক,ভালোবেসে আগলে রাখে পরিবারকে অথচ সে যে কদরহীনা নারী তাই থেকে যায় অন্ধকারে। আমাদের গতিময় যুগে প্রতিনিয়ত বাড়ছে মানসিক দূরত্বের ব্যাধি।একে অপরকে ছাপিয়ে ইঁদুর দৌড়ে জয়ী হওয়ার তাগিদ। আর সেই তাগিদে উত্তীর্ণ সিঁড়িতে এগিয়ে গেলেও পিছনে রয়ে যায় ছোট্ট ছোট্ট অথচ গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। আর সেই সম্পর্কেই 'হি' শর্ট ফিল্মের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন শিবুপ্রসাদ ও নন্দিতা জুটি। উদ্দেশ্য, করোনা আবহে অবহেলিত সম্পর্কগুলোকে এবার ফিরে দেখা। এই শর্ট ফিল্মের গল্প লিখেছেন জিনিয়া সেন এবং সঙ্গীত পরিচালনায় প্রবুদ্ধ বন্দ্যোপাধ্যায়। এডিটে মলয় লাহা। এই লকডাউনে 'হিং'-এর মাধ্যমে মানালি অপরাজিতা তো নিজেদের সম্পর্কের স্বাদ বাড়িয়েছে এবার আপনি কি বাড়াবেন?

Comments
Post a Comment