নবমতম শ্রী শ্যাম মহোৎসব


অনুষ্ঠানের একটাই ভাবনা  'অতিথি দেব ভব', অর্থাৎ অতিথিদের আসা, একইসঙ্গে মিলিত হওয়া , যেন এইভাবে বছরের শেষটা মহাআনন্দে উপভোগ করা যায় : উদ্যোগদাতা শ্রী সুজিত আগরওয়াল

বর্ষবরণে অপেক্ষা মহানগরী যখন প্রহর গুনছে তখনই  আজ কলকাতার ইএম বাইপাসে অবস্থিত বিধান গার্ডেনে মহা ধুমধামে পালিত হল নবমতম শ্রী শ্যাম মহোৎসব।  প্রতি বছরের মত এবছরও জলসূত্র পরিবারের আয়োজিত এই মহোৎসবে ভক্তদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মত। এদিন আনন্দানুষ্ঠানে ভক্তিসংগীতের পাশাপাশি ছিল দর্শনার্থীদের জন্য আহারের সুব্যবস্থা।

 আয়োজিত এই অনুষ্ঠান সম্পর্কে জলসূত্র পরিবারের অন্যতম সদস্য শ্রী বিজয় চৌধুরী  জানান, "এবছর বৃন্দাবনের মধুবনের আদলে তৈরী হয়েছে এই পূজাপাঠের পরিবেশ।  সম্প্রতি বাগনানে  ২২৪ বিঘা জমি নেওয়া হয়েছে, যেখানে বৃদ্ধাশ্রম, অনাথ আশ্রম, স্কুল এবং একইসঙ্গে  গরু থাকার  গোয়াল ঘর তৈরি হবে। আমাদের একটাই উদ্দেশ্য , গরিব অসহায় মানুষদের সেবার মাধ্যমে ঈশ্বরের কাছে আমরা নিজেদেরকে সমর্পণ করতে পারি"।

একইসঙ্গে এদিন  মহোৎসব সম্পর্কে উদ্যোগদাতা শ্রী সুজিত আগরওয়াল জানান, "এই অনুষ্ঠানের একটাই ভাবনা  'অতিথি দেব ভব', অর্থাৎ অতিথিদের আসা, একইসঙ্গে মিলিত হওয়া , যেন এইভাবে বছরের শেষটা মহাআনন্দে উপভোগ করা যায়। আয়োজনের মধ্যে থাকে ভান্ডার সহ বিভিন্ন উপাচারের মাধ্যমে শ্যামের আরাধনা । এদিন ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত সংগীতশিল্পীদের ভজনসংগীতের মধ্যে দিয়ে পরিবেশ হয়ে ওঠে মধুময় "।

এদিন শ্যাম মহোৎসবে উপস্থিত ছিলেন শ্রী শ্রীকান্ত মুরারকার, শ্রী রাজা আগরওয়াল সহ অন্যান্য গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বলাইভালো , বছরের শেষে সমাজমূলক ভাবনার মাধ্যমে শ্যামের আরাধনায় মাতোয়ারা জলসূত্র পরিবারের সদস্যরা।

Comments