গানপ্রেমীদের কাছে তাঁর সুরেলী কণ্ঠ আজও ছুঁয়ে যায় মনের মণিকোঠায়। একসময় বলিউডে কুমার শানুর সঙ্গে তাঁর ডুয়েট ছিল জনপ্রিয়তার তুঙ্গে। ৭০ থেকে ৮০ দশক এবং ৯০ দশকে গানের জগতে তিনি ছিলেন শ্রেষ্ঠত্বের শিখরে। 'আশিকি’, ‘দিল হ্যায় কি মানতা নেহি’ ,‘সাজন’,'এক দুজে কে লিয়ে’ - এর মত একাধিক গানের সাফল্য ঘুরে বেড়ায় স্মৃতির মাঝে। শুধু কি তাই তাঁর অসামান্য ভজন সংগীত ছড়িয়েছে সর্বত্র। আর এই অসাধারণ প্রতিভার একটাই নাম অনুরাধা পড়োয়াল।
সংগীতপ্রেমীদের মন ভোলাতে বারবারই তাঁর কলকাতায় ছুটে আসা। শুধুমাত্র গানের তাগিদে নয় অনেকসময় দক্ষিনেশ্বর কিংবা কালীঘাটে চলে আসেন মায়ের টানে। কলকাতার মানুষজন ,সংস্কৃতি তাঁর খুব পছন্দের। আর কলকাতার কাছে তিনি প্রানের 'দিদি' । আজও স্মৃতির মাঝে উঁকি দেয় নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে শ্রোতাদের সেই অভ্যর্থনার কথা। শ্রোতাদের হাততালি তাঁর গানের শক্তি। নিজের জীবনের আদর্শ মানেন লতা মঙ্গেশকরকে। আজও তিনি ভালোবাসেন কুমার শানু, উদিত নারায়ণ, সুদেশ ভোঁসলে-এর মত দিকপাল শিল্পীদের সাথে গান গাইতে। তিনি পছন্দ করেন নতুন প্রজন্মের প্রত্যেক গান । তাঁর ভালোলাগে শ্রেয়া ঘোষাল, সুনিধি চৌহান- এর গান। তিনি মনে করেন আজকাল সুফি গানের প্রতি শ্রোতাদের বাড়ছে আগ্রহ। জীবনের লক্ষ্য বলতে এই অসামান্য সুরেলি গায়িকার কাছে শুধুমাত্র গান। গানই তাঁর জীবন। আপনাদের জানিয়েরাখি, সম্প্রতি মহাত্মা গান্ধীর ১৫০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ভজন সম্রাজী অনুরাধা পড়োয়াল রেকর্ড করেছেন 'রঘুপতি রাঘব রাজা রাম' নামক ভজন। যা গানপ্রেমীদের কাছে খুবই প্রশংসনীয়।

Comments
Post a Comment