কিংবদন্তি কমার্শিয়াল আর্টিস্ট সত্য চক্রবর্তীর কন্যা শতাব্দী। ছোটবেলা থেকে এক শিল্পী পরিবারে বড় হলেও কমার্স নিয়ে পড়াশোনা। কিন্তু শিল্পসত্তা ছিল তাঁর রন্ধ্রে রন্ধ্রে তাই ভবানিপুরের এডুকেশন সোসাইটি থেকে সিএ ফাউন্ডেশন দিতে দিতেই হঠাৎই ফ্যাশন ডিজাইনিং জগতে প্রবেশ।
২০০০সালে সত্যজিৎ রায়ের থিমের উপর কাজ করে ডিজাইনার হিসাবে তাঁর প্রথম পথচলা শুরু। আর তাঁর এই প্রথম কাজেই মন ছুঁয়ে যায় সত্যজিৎ পুত্র পরিচালক সন্দীপ রায়ের। বাংলাদেশের এক প্রদর্শনীতে শোভা পায় শতাব্দীর শিল্পশৈলী। নন্দন আর্কাইভ,সত্যজিৎ আর্কাইভে রয়েছে তাঁর শিল্পকলা। একসময় দীর্ঘ ১৪বছর নামী পোশাক ব্র্যান্ড 'রেনে'-তে একজন সিনিয়র হেড ডিজাইনার হিসাবে কাজ করেছেন এই গুণী অনন্যা। তাঁর জীবনের ভালোলাগার মুহূর্তে উঠে আসে নিজের হাতের তৈরি অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের বিয়ের পাঞ্জাবি। যেখানে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের সেই মন ভোলানো হাসি আজও প্রাণবন্ত। শতাব্দীর মনের মণিকোঠায় দাগ কেটে যায় বাবার উক্তি। তাঁর কথায়, " বাবা বলতেন শিল্প নিয়ে কাজ করতে হলে ছেলেখেলা নয় সর্বদা মন দিয়ে কাজ করবে"।
শতাব্দীর রয়েছে নিজস্ব প্রতিষ্ঠান 'সৌজাত্য', যেটি কলকাতার সন্তোষপুরে অবস্থিত। যেখানে আছে খুবই স্বল্প মূল্যে পুরুষ এবং মহিলাদের জন্য অসাধারণ এথিনক পোশাকের সম্ভার।
আপনাদের জানিয়েরাখি, খুব শীঘ্রই আসতে চলেছে এই খ্যাতিসম্পন্না ফ্যাশন ডিভার আরেক প্রতিষ্ঠান কলকাতা-১। যেখানে থাকছে এথনিক পোশাক থেকে শুরু করে এথনিক জুয়েলারি, কুশন কভার। শুধুমাত্র এথনিক সাজসজ্জায় নয় ,এই অনন্যা ধামাকা দিতে চলেছেন মহিলাদের নিত্য ব্যবহারোপযোগী এক ধরনের বিশেষ পোশাক। এটি পরলেই নির্দ্বিধায় একইসঙ্গে করতে পারেন বাড়িতে টি-পার্টি কিংবা চলে যেতে পারেন কোন আউটিং-এ
বলাইযায়, ফ্যাশন জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ফ্যাশন ডিজাইনার শতাব্দী চক্রবর্তী।











ও মানুষ হিসেবেও খুব ভালো, আমার স্কুল এর classmate । যখনই আমাদের ক্লাস এর প্রাক্তনীরা বছরে একবার ও অন্তত দেখা করা বা Get Together এর plan করি সবার আগে শতাব্দীর কাছ থেকে আবেদন আসে ওঁর বাড়িতে সেটা করার জন্য । আরো নাম কর শতাব্দী । তুই আমাদের গর্ব 🌹
ReplyDelete